শিশুদের ডায়রিয়ার চিকিৎসা
১. শিশুর বয়স অনুযায়ী খাবার দিন।
২. প্রতিবার পাতলা পায়খানা হওয়ার পরপরই খাবার স্যালাইন খাওয়াতে হবে। শিশুর যত কেজি ওজন তত চামচ খাবার স্যালাইন দিবেন। যেমন:- শিশুর ওজন ১০ কেজি তাহলে ১০ চামচ খাবার স্যালাইন দিবেন প্রতিবার পাতলা পায়খানা হওয়ার পরে।
৩. সিরাপ জিংক দিবেন বয়স অনুযায়ী।
৬ মাসের কম বয়সী শিশুর ক্ষেত্রে ১ চামচ,
৪. নিম্নোক্ত বিপদচিহ্ন থাকলে শিশুকে ডাক্তারের কাছে দ্রুত নিয়ে আসবেন,
ক) জ্বর > ১০১ ডিগ্রি ফারেনহাইট।
খ) পাতলা পায়খানার সাথে রক্ত দেখা গেলে।
গ) শিশুর চোখে পাতা ঢেবে গেলে।
ঘ) শিশু নেতিয়ে পড়লে।
ঙ) ঘন্টায় ৩ বারের বেশী অথবা অবিরাম বমি করলে।
চ) খিচুনি হলে।
ছ) শ্বাসকষ্ট থাকলে।
জ) খাবার খাওয়া বন্ধ করে দিলে।
ঝ) ১৬ ঘন্টা একটানা প্রস্রাব না করলে।
পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকা, হাত ধোয়ার অভ্যাস ডায়রিয়া প্রতিরোধে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকরী পন্থা।
সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন।

No comments
New comments are not allowed.